মেনু নির্বাচন করুন
নোটিশ

বিগত সাড়ে নয় বছর (জানুয়ারি ২০০৯-জুন ২০১৮)-এ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকান্ড বর্তমান সরকারের সাফল্যের চিত্র

ফাইল

বিগত সাড়ে নয় বছর  (জানুয়ারি ২০০৯-জুন ২০১৮)-এ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকান্ড বর্তমান সরকারের সাফল্যের চিত্র   বিগত সাড়ে নয় বছর (জানুয়ারি ২০০৯-জুন ২০১৮)-এ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকান্ড বর্তমান সরকারের সাফল্যের চিত্র


ছবি


Publish Date

২০১৮-০৯-২৭

Archive Date

২০২১-১২-৩০

বিস্তারিত

বিগত সাড়ে নয় বছর  (জানুয়ারি ২০০৯-জুন ২০১৮)-এ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকান্ড এবং বর্তমান সরকারের সাফল্যের চিত্র:   

পরিমাণগত ও কাঠামোগত সাফল্য:

  • কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরকে ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ জানুয়ারি অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়।
  • ২০০৯ সালের পূর্বে ৪টি বিভাগীয় অফিস, ৪টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিদপ্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হতো। বর্তমানে প্রধান কার্যালয় এবং ২৩ টি উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের মাধ্যমে এই অধিদপ্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
  • “DIFE আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ এবং ৯টি জেলা কার্যালয় স্থাপন প্রকল্প”-এর আওতায় ৯টি উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের নিজস্ব ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
  • পরিদপ্তর থাকাকালীন ৩১৪ জনের পদ ছিল। অধিদপ্তরে উন্নীত হওয়ার পর ৯৯৩ জনের  পদ সৃষ্টি হয়।

     

গুণগত সাফল্য

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করে বেশ কিছু সংশোধনী এনে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন-এর ভিত্তিতে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ও বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-এর সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিদর্শন চেকলিস্ট প্রণয়ন করা হয়েছে, যা অনুসরণ করে শ্রম পরিদর্শকগণ মাঠ পর্যায়ে কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এর ফলে শ্রম পরিদর্শনে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
  • ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা-২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশ শ্রম আইনের ৩২৩ নম্বর ধারার বিধানমতে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ২৯ সদস্যের একটি OSH কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
  • অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট OSH ইউনিট গঠন করা হয়েছে যা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়াদি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
  • শিশুশ্রম নিরসনে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সে লক্ষ্যে জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি, ২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে।
  • তৈরি পোশাক শিল্প এবং চিংড়ি শিল্পে ইতোমধ্যে শতভাগ শিশুশ্রম নিরসন করা হয়েছে। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ১১টি সেক্টরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিশুশ্রম নিরসনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সেক্টরগুলো হলো: অ্যালুমিনিয়াম, তামাক/বিড়ি, সাবান, প্লাস্টিক, কাঁচ, স্টোন ক্রাসিং, স্পিনিং, সিল্ক, ট্যানারি, শীপ ব্রেকিং, তাঁত।

 

  • কারখানায় সেইফটি কমিটি গঠন: ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে সংশোধিত বাংলাদেশ শ্রম আইনে এবং ২০১৫ সালে প্রণীত শ্রম বিধিমালায় সেইফটি কমিটি সংক্রান্ত বিধান প্রবর্তন হওয়ার পর কারখানায় সেইফটি কমিটি গঠনের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর পর থেকে কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জুন, ২০১৮ পর্যন্ত বিভিন্ন কারখানায় গঠিত সেইফটি কমিটির সংখ্যা ১৯০৪ টি।

 

  • তাজরিন ফ্যাশন-এর অগ্নি দুর্ঘটনা ও ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে রানা প্লাজা ভবন ধসের পর সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের সহযোগিতায় একটি ত্রিপক্ষীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। উক্ত কর্মপরিকল্পনার আওতায় ইউরোপীয় ক্রেতা জোট সংস্থা (Accord on Fire and Building Safety) এবং উত্তর আমেরিকান ক্রেতা জোট সংস্থা (Alliance for Bangladesh Worker Safety) এবং জাতীয় উদ্যোগ (National Initiative) এর মাধ্যমে ৩৭৮০টি পোশাক কারখানার অগ্নি, বৈদ্যুতিক ও কাঠামোগত নিরাপত্তা মূল্যায়নের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

 

  • সংস্কার সমন্বয় সেল (আরসিসি) গঠন: পোশাক কারখানাগুলোর সংস্কারকাজ পরিচালনা করতে NTC-র ১১ তম সভায় Remediation Coordination Cell (RCC) গঠন করা হয়। ১৪ মে ২০১৭ এই সেল উদ্বোধন করা হয়।

 

  • কারখানা সংস্কার কার্যক্রমে সাফল্য: National Initiative এর আওতাধীন ১৫৪৯টি রপ্তানীমুখী পোশাক কারখানার সংস্কার কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য আরসিসির তত্ত্বাবধানে ২০১৭ খিষ্টাব্দের মে থেকে ডিসেম্বর সময়কালে দুই দফায় কারখানার মালিক/প্রতিনিধিদের সাথে ৩২টি মতবিনিময় সভা করা হয়। এসকল সভায় ত্রুটিপূর্ণ কারখানাগুলোর সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য ২০১৮ এর ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়। সংস্কার কাজ তদারকি করার জন্য এবং Corrective Action Plan (CAP) বিশ্লেষণে তিনটি টাস্ক ফোর্স-কে সহায়তা করার জন্য ঢাকা ব্যতিত গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম জেলার প্রত্যেকটিতে দুইজন সহকারী মহাপরিদর্শক, দুইজন শ্রম পরিদর্শক এবং ঢাকায় তিনজন সহকারী মহাপরিদর্শক ও তিনজন শ্রম পরিদর্শক এবং প্রধান কার্যালয়ে ছয় জন সহকারী মহাপরিদর্শক ও দুই জন শ্রম পরিদর্শককে এ কাজের জন্য নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে কারখানাসমূহের সংস্কার কাজ মনিটরিং করার জন্য ৮০ জন পরিদর্শককে কেস হ্যান্ডলার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে “রিমেডিয়েশন কো-অর্ডিনেশন সেল-এ ন্যাস্ত কারখানাগুলোর ক্যাপ বাস্তবায়ন শীর্ষক প্রকল্প”-এর আওতায় ৬০ জন প্রকৌশলী নিয়োগ করে কারখানার সংস্কার কার্যক্রমে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।

 

  • ৪৮০৮টি আরএমজি কারখানার প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত একটি ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছে। আরও ২৭০০০ কারখানার তথ্যসংবলিত ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে।
  • অধিদপ্তরের নিয়মিত এবং বিশেষ কার্যক্রমের তথ্য সংবলিত ত্রৈমাসিক “ডাইফ বার্তা” প্রকাশ। ২০১৭ এর জুন মাস থেকে তিন মাস অন্তর অন্তর অধিদপ্তরের এই নিউজ লেটার প্রকাশ করা হয়।

 

  • জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস (OSH Day) পালন: জাতীয় শিল্প স্বাস্থ্য নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে “জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস” পালন করা হচ্ছে। প্রতি বছর ২৮ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে স্মরণিকা প্রকাশ, সারাদেশে বিভিন্ন ধরনের পোস্টারিংসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কদ্বীপ ও স্থানসমূহ সজ্জিতকরণ এবং বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। এছাড়া অধিদপ্তরের ২৩ উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। তিনটি শিল্প এলাকা ঢাকা, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জ এ দিবসটি উপলক্ষে রোড শোসহ বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

 

  • “পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি উত্তম চর্চা পুরস্কার”-প্রবর্তন: সারাদেশে পেশাগতন স্বাস্থ্য ও সেইফটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে “পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি উত্তম চর্চা পুরস্কার”-প্রবর্তন করা হয়েছে। ২৮ এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে প্রথমবারের মতো রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটিতে উত্তম চর্চার জন্য ১০টি পোশাক কারখানাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

 

  • OSH academy: OSH অ্যাকাডেমি স্থাপনের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ক প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্পের খসড়া প্রেরণ করা হয়েছে। OSH অ্যাকাডেমির মাধ্যমে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি বিষয়ক গবেষণা, প্রশিক্ষণ, কন্সালটেন্সি সার্ভিস, সার্টিফিকেশন, রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট, উচ্চতর শিক্ষা ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে।

 

ডিজিটালাইজেশনে সাফল্য:

  • শতভাগ ই-ফাইলিং: তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজে এবং স্বল্প সময়ে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ই-ফাইলিং প্রবর্তনে জোর দিয়েছে বর্তমান সরকার। ২০১৭-এর ফেব্রুয়ারিতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে দাপ্তরিক কাজে ই-ফাইলিং ব্যবহার শুরু হয় এবং অক্টোবর হতে শতভাগ কার্যক্রম ই-ফাইলিং এর মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। এটুআই প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ঘোষিত সাপ্তাহিক র‌্যাংকিং-এ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার শীর্ষস্থান অর্জন করেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে অধিদপ্তরের ৪ টি উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে ই-ফাইলিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ক্রমান্বয়ে সকল উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে ই-ফাইলিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।

 

  • ডিজিটাল শ্রম পরিদর্শন ব্যবস্থা: অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা এবং পরিদর্শন কার্যক্রমে আরো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতিশীলতা আনয়নের জন্য ডিজিটাল পরিদর্শন ব্যাবস্থা প্রবর্তন করেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। এজন্য গত ৬ মার্চ ২০১৮ “লেবার ইন্সপেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন” (লিমা) নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপ বিভিন্ন শিল্পখাতে কর্মরত ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এই অ্যাপে সংরক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতে সহজে মাসিক ও বার্ষিক পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা যাবে। এই অ্যাপ ব্যবহারকারী শ্রম পরিদর্শকগণ মহাপরিদর্শকের সার্বক্ষণিক ট্র্যাকিং-এর আওতাভুক্ত থাকবেন।

 

  • ট্যাবলেট কম্পিউটার বিতরণ: ডিজিটাল পরিদর্শন প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে ২০১৮ এর মার্চ-এ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শকগণকে ৩২৫টি ট্যাবলেট কম্পিউটার বিতরণ করা হয়েছে। এসব ট্যাবে লেবার ইন্সপেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন (LIMA) চালু করা হয়েছে।

 

  • ৩০ মার্চ ২০১৪ তারিখে অধিদপ্তরের নিজস্ব ওয়েবসাইট www.dife.gov.bd চালু করা হয়।
  • ডিজিটাল হাজিরা: অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর থেকে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের হাজিরার হিসাব রাখা হয়। সকল উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে ক্রমান্বয়ে ডিজিটাল হাজিরা চালু করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

 

  • লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন সংক্রান্ত অনলাইন কার্যক্রম: বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসের অংশ হিসেবে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন সংক্রান্ত অন-লাইন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর ফলে লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। অন্যদিকে কাজের গতিশীলতা বাড়বে এবং সময়ের অপচয় কমবে। কারখানার রেজিস্ট্রেশন/লাইসেন্স গ্রহণ পদ্ধতি ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে অনলাইন পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে।

 

  • সেবা সহজীকরণ: অধিদপ্তরের প্রদত্ত সেবাগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন। এ সেবা সাধারণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের সহযোগিতায় সেবাদান সহজীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে সেবা দাতা এবং গ্রহীতাদের সময় ও অর্থের অপচয় রোধ হওয়ার পাশাপাশি নাগরিক ভোগান্তি বন্ধ হবে। গাজীপুরে অবস্থিত অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে এর পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগে যেখানে ১১ টি ধাপে কারখানার লাইসেন্স পেতে লাগত ৯০ দিন সেখানে নতুন পদ্ধতিতে ৯ টি ধাপে সময় লাগবে ৪৫ দিন। ইতোমধ্যে অধিদপ্তরের ২৩ টি উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের মাধ্যমে সারাদেশে এ সহজ পদ্ধতিতে লাইসেন্স প্রদান শুরু হয়েছে।

 

  • হটলাইন: পোশাক শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ মার্চ ২০১৫ তারিখে একটি টোল ফ্রি হট লাইন চালু করা হয়েছে, যার নম্বর ০৮০০-৪৪৫৫০০০। এই নম্বরে বিনামূল্যে শ্রমিকগণ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন। তাঁদের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

 

  • কম্পিউটার বিষয়ক প্রশিক্ষণ: কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ এবং ৯টি জেলা কার্যালয় স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৫-এর জানুয়ারি হতে ২০১৭ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৭টি ব্যাচে ৩৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কম্পিউটার বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

 

  • নিয়মিত ভিডিও কনফারেন্স আয়োজন: অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভা আয়োজন এবং অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়গুলোর সাথে যোগাযোগ করতে নিয়মিতভাবে ভিডিও কনফারেন্স আয়োজন করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সের লক্ষ্য পরিদর্শন কাজের অগ্রগতি আলোচনা, APA অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, ফ্যাক্টরী রিমেডিয়েশন, কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন, শিশুশ্রম নিরসন, বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণজনিত কোনো তথ্য ও প্রস্তাব বিষয়ে আলোচনা এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান।

 


Share with :

Facebook Twitter